দীর্ঘ ২২ বছর পর আগামীকাল সোমবার খুলনায় আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল ১০টায় নগরীর খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি’র নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি। দীর্ঘদিন পর দলীয় প্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রিয় নেতাকে বরণ করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতারা জানান, “২০০৪ সালে সর্বশেষ খুলনায় এসেছিলেন বিএনপি’র তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। নগরীর জিয়া হলে অনুষ্ঠিত খুলনা অঞ্চলের তৃণমূল প্রতিনিধি সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি। তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নির্বাসনে থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের। প্রিয় নেতার আগমনের খবরে কর্মীদের মধ্যে অন্যরকম উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শুক্রবার রাতে জরুরি প্রস্তুতি সভায় জনসভা সফল করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, “সোমবার সকালে হেলিকপ্টারে করে খুলনায় আসবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সকাল ১০টায় খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি। জনসভা শেষে হেলিকপ্টারে তিনি যশোরের উদ্দেশ্যে খুলনা ছাড়বেন। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে আসার কথা রয়েছে। চেয়ারম্যানের জনসভায় ৫ থেকে ৮ লাখ মানুষের জমায়েতের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। খুলনা মহানগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন। খুলনা বিভাগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্য প্রার্থীরা জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।”
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, “জনসভায় বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার নেতাকর্মীরাও যোগ দেবেন। জনসভা সফল করতে সমন্বয়, আবাসন, শৃঙ্খলা, মিডিয়া ব্যবস্থাপনাসহ ৬টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে আসবে বিশাল মঞ্চ ও আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। মাঠের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা রক্ষা, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণা কার্যক্রম ঘিরে দলীয় কার্যালয়ে চলছে একের পর এক প্রস্তুতি সভা। ইতোমধ্যে নগরী ও জেলায় প্রচার মাইকিং শুরু হয়েছে। মঞ্চ তৈরির কাজ ও প্রচার মিছিল চলছে। কালকের মধ্যেই মাঠের কাজ শেষ হবে।”
খুলনা গেজেট/এনএম



